ভিটামিন সি কমলার খোসার মধ্যেও আছে।কমলার খোসা দিয়ে অনায়াসে ত্বক ও চুলের যত্ন নেয়া যায়।কমলালেবুর খোসায় রয়েছে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান ।
Benefits of Orange Peel Powder:
১. ব্রণের সমস্যা কমায়।
২.খোলা লোমকূপের সমস্যা ধীরে ধীরে সমাধান করে।
৩.স্ক্রাবার হিসেবে কমলার খোসা পাউডার ব্যবহার করে দেখুন, মরা চামড়া সরে যাবে, ত্বক নরম হবে।
৪.বলিরেখা কমিয়ে আনতেও এর জুড়ি মেলা ভার।
৫.কমলার খোসা পাউডার তেলের সঙ্গে মিশিয়ে স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
৬.চকচকে ভাব আনতে নখে ঘষুন।
৭.রোদে পোড়া ভাব দূর করতে দুধ অথবা দইয়ের সঙ্গে কমলার খোসা পাউডার মিশিয়ে নিতে পারেন।
৮.যেকোনো মিষ্টান্নতেও কমলার খোসা পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। চোখের দেখা আর মুখের স্বাদ দুটোর জন্যই ভালো ।
৯.ত্বকে অমসৃণভাবে কালো দাগের সমস্যা থাকলে ময়দা ও কমলার খোসা পাউডার মিশিয়ে মালিশ করুন কিছুক্ষণ। চলে যাবে।
১০.চালের গুঁড়া, দই ও কমলার খোসা পাউডার তিনটি জিনিস মিশিয়ে আলতোভাবে মালিশ করলে ব্ল্যাকহেডস দূর হবে।
১১.সারা রাত কমলার খোসা পাউডার পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।চুল পরিষ্কার, খুশকি দূর ও চুল নরম হবে ।
১২.যেকোনো প্যাকের সঙ্গেও কমলার খোসা পাউডার মিলিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। ত্বক উজ্জ্বল হবে।
যেটা করবেন না:
*কমলার খোসা বা প্যাক ব্যবহার করার পর বেশ কিছুক্ষণ রোদে যাওয়া যাবে না, ত্বক রোদে পুড়ে যাবে।
*কমলার খোসা বেশি দিন শুকিয়ে রেখে দিলে ছত্রাক জন্মাতে পারে।
*কমলার খোসা ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করলে এর গুণাগুণ কমে যায়।
*যাদের ত্বক সংবেদনশীল, কমলার খোসাকে দূরেই রাখুন। কারণ অ্যালার্জি হতে পারে।