Benefits of Tokama grain:
১.তোকমাতে থাকা অ্যান্টি-হাইপারলিপিডেমিক কার্যক্রম কোলেস্টেরল এর সমস্যা কমিয়ে থাকে। এছাড়াও আয়ুর্বেদে দুশ্চিন্তা কমাতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে তোকমা।
২.শরীরের শক্তি সরবরাহ করে। এক মুঠো তোকমা দানা বাদাম, শুকনো ফলের সঙ্গে মিশ্রণ তৈরি করে খেলে দীর্ঘক্ষণ আপনাকে ক্ষুধামুক্ত রাখবে। যা ক্ষুধা দমন, অসময়ে ক্ষুধার যন্ত্রণা, অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণ নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ হয়।
৩.তোকমা এসিডিটি দূর করতেও কার্যকর। এটি পেটের এসিড নিয়ন্ত্রণ করে জ্বালাপোড়া দূর করে।
৪.প্রতি ১০০ গ্রাম তোকমা দানায় পর্যাপ্ত পরিমাণে লৌহ, ক্যালসিয়াম, থিয়ামিন, ম্যাংগানিজ, দস্তা, ফসফরাস, ভিটামিন-বি, ফোলেইট এবং রিবোফ্ল্যাভিন রয়েছে।যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং বিপাক প্রক্রিয়া বৃদ্ধি করবে।
৫. মুখের ভেতরের প্রদাহ, ইনফেকশন এবং আলসারসহ বিভিন্ন ধরণের সমস্যায় তোকমা দারুণ কাজ করে থাকে। তোকমাতে থাকা অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ফাংগাল উপাদান সমূহ থাকার ফলে মুখের ভেতর একদম ফ্রেশ থাকে।
৬.তোকমা দানা রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ, শরীরের জন্য উপকারী কোলেস্টেরল উৎপন্ন করে এবং রক্তে চর্বির পরিমাণ কমায়। এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে, সুস্থ হার্ট এবং হাড় গঠনে সহায়তা করে।
৭.খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে ।কোষ্ঠ্যকাঠিন্য, ডায়রিয়া অথবা আমাশয়ের মতো পেটের সমস্যাতে তোকমার বীজ খুবই উপকারী।
৮.খনিজ পদার্থ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট:এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান প্রদাহ, ক্যানসার কোষ প্রতিরোধ এবং বার্ধক্য রোধে সহায়তা করে।
৯.তোকমা গরমকালে দেহের তাপমাত্রা কমাতে সহায়তা করে। আর এ কারণে গরম আবহাওয়ার দেশগুলোতে বহু মানুষ তোকমার শরবত পান করে। এটি সুস্বাদু করার জন্য চিনি, মধু এবং কোথাও কোথাও নারিকেল দুধ দেওয়া হয়।
১০.প্রতি ১০০ গ্রাম তোকমা দানায় ৪০ গ্রাম খাদ্য আাঁশ পাওয়া যায়।আঁশ হজম প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।পেটের পীড়া, প্রদাহ এবং কন্সটিপেশন দূর করে এবং খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
১১.এটি চর্মরোগ , একজিমা এবং সোরিয়াসিস নিরাময়ে কার্যকর।সুস্থ চুলের জন্য এটি নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে।
১২. তোকমা বীজে রয়েছে অ্যান্টি-স্পাজমোডিক প্রভাব। যা ঠাণ্ডা-কাশির সমস্যার দূর করতে কার্যকরী। তোকমাতে থাকে অ্যান্টি-ফাইরেটিক জ্বর কমাতে সাহায্য করে থাকে।
ব্যবহারের কিছু নিয়ম ও সতর্কতা:
১.তোকমা খাওয়ার পূর্বে তোকমা বীজ পানিতে ভালোভাবে ভিজিয়ে রাখতে হবে।
২.বীজগুলো একদম বড় হয়ে ফুলে উঠলে এরপর সেটা খাওয়া যাবে।
৩.শিশুদের এটা খাওয়ানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে।
৪.গর্ভবতী নারীদের অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে তোকমা গ্রহণ করা উচিৎ।
প্রতিদিন তোকমা বীজ খেতে চাইলে এক চা চামচ গ্রহণ করা যথেস্ট হবে ।